• ২রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালের কেডিসিতে মাদক দম্পতির দৌরাত্ম্য: ৮১ ধারায় পার পেয়ে অধরা ‘মধু’

দখিনের বার্তা
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১৪:৫৬ অপরাহ্ণ
বরিশালের কেডিসিতে মাদক দম্পতির দৌরাত্ম্য: ৮১ ধারায় পার পেয়ে অধরা ‘মধু’
সংবাদটি শেয়ার করুন....

​বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশাল নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কেডিসি এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি দম্পতি মধু ও রুনুর (রেনু) বেপরোয়া মাদক ব্যবসা জমে উঠেছে। রুনুর বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক মাদক মামলা থাকলেও তার স্বামী মধু এখনো রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কেডিসি এলাকায় ভোরে বসে মাদক বিক্রির সময় স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল মধুকে ধাওয়া করে। এ সময় সে সঙ্গে থাকা গাঁজা ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ পিছু ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে। তবে হাতেনাতে ধরা পড়ার পরও তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট মাদক মামলা করা হয়নি।
​অভিযোগ উঠেছে, স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন বিতর্কিত ইনচার্জ শাওন মোটা অঙ্কের অনৈতিক লেনদেনের বিনিময়ে মাদকের গুরুতর অভিযোগ আড়াল করে মধুকে তুলনামূলক লঘু ৮১ ধারায় চালান করে দেন। পরবর্তীতে এই বিতর্কের জেরে ইনচার্জ শাওনকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার (উইথড্র) করা হলেও মূল অপরাধী মধু ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছে।
​এলাকাবাসীর দাবি, রুনুর বিরুদ্ধে একের পর এক মাদক মামলা থাকলেও এবং মধু পুলিশের হাতে ধরা পড়েও ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে যাওয়ায় কেডিসি এলাকায় মাদকের বিস্তার আরও আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। এ ধরনের অসাধু প্রক্রিয়ায় মাদক কারবারিরা পার পেয়ে যাওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে এই দম্পতির বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সচেতন মহল।