আসাদুজ্জামান শেখ //
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ নং ওয়ার্ডের কমিশনার গলিতে পিতা ফারুক ওরফে (টাক ফারুক) ছেলে মোঃ ফেরদৌস হাসান (ফয়সাল)কে আটক করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ।
শনিবার ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ইং বিকেল পাঁচটায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউনিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ দিকনির্দেশনায় এস আই হরসিদ এর নেতৃত্বে এসআই ফারুক সহ ১০-১২ জনের আভিযানিক টিম ২ নং ওয়ার্ড কমিশনার গলিতে অভিযান পরিচালনা করে ১৬ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুজনকে আটক করেন।
এর আগের টাক ফারুক নিজে ফেনসিডিল তৈরি করে বিক্রি করতেন। তারই উত্তরসূরি ছেলে মোঃ ফয়সাল দীর্ঘদিন মাদক বেচা বিক্রির সাথে জড়িত। তারি ধারাবাহিকতায় আজকে দুই বাপ বেটা পুলিশের খাঁচায় আটকান। এর আগেও ফয়সাল পুলিশের খাঁচায় একাধিকবার মাদকের কার বাড়ির জন্য আটক হয়েছিলেন। আইনের ফাঁকফোকর থেকে বের হয়ে বাবা টাক ফারুকের দিকনির্দেশনায় পুনরায় মাদক বেচা বিক্রি করে থাকেন। টাক ফারুক ছেলে ফয়সাল প্রায় সই বলে বেড়াতেন কাউনিয়া থানাও মিডিয়াকর্মীদের ম্যানেজ করে তারা এ ব্যবসা করতেন। এমন কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে কাউনিয়া থানার চৌকস একাধিক অফিসার একত্রিত হয়ে তাদেরকে অভিযান দিয়ে আটক করেন।
২ নং কমিশনার গলির একাধিক ব্যক্তি ও সুশীল সমাজ ব্যক্তিরা বলেছেন তাদের আটক এ এলাকায় এখন কিছুটা সময় হলেও মাদক মুক্ত থাকবে। তারা দুই বাপ বেটা এলাকার পরিবেশ দিন দিন নষ্ট করে ফেলছিলেন। তারা আরো বলেন স্কুল কলেজ পড়ুয়া অনেক ছেলেপেলে তাদের মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা পাচ্ছিলেন না এখন কিছুটা হল স্বস্তি ফিরে আসবে এলাকায়। তাদের আটক এ একা তথা মহল্লার সবাই খুশি হয়েছেন এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন কাউনিয়া থানা র অফিসার্স ইনচার্জকে।
এ ব্যাপারে বরিশাল কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা হলে তিনি সত্যতা স্বীকার করেন এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি বলেন আমাদের মাননীয় পুলিশ কমিশনার স্যারের দিকনির্দেশনায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স রয়েছি আমরা। মাদক কারবারিদের বা সেবনকারীদের কোনরকম ছার দেওয়া হবে না।