বরিশাল নগরীতে বালা সুমনের ইশারায় চলছে একাধিক মাদক স্পট

ফেব্রুয়ারি ২৬ ২০২১, ০৯:৫৬

Spread the love

নগরীর চিহ্নিত মাদক সম্রাট ও একাধিক মাদক মামলার আসামী সুমন ওরফে বালা সুমন প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বীরদর্পে তার এজেন্টের মাধ্যমে দেদারছে বিক্রি করছে ইয়াবা ও বিভিন্ন ধরনের মাদক। নগরীর ৫ নং ওয়ার্ড পলাশপুর ৭ নং গলিতে তার নিজ বাসস্থান বসে নিয়ন্ত্রণ করছে বরিশাল নগরীর একাধিক মাদক স্পট গুলো। তারই এক সহযোগী মাদক ব্যবসায়ী জানান, ইয়াবার ব্যবসা পরিচালনা করেই অল্পদিনেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে বালা সুমন। পারিবারিক অবস্থা খুবই অসচ্ছল। তার বাবা পেশায় একজন ভন্ড ওঝা। ফু ফাক্কর দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতো তার বাবা। সুমন প্রথম অবস্থায় দিনমজুর এবং চা বিক্রি করতো। প্রথম ইয়াবা সেবন করলেও পরবর্তীতে ইয়াবা খুরচা বিক্রি থেকে শুরু করে ইয়াবার হোলসেলার হিসেবে নিজেকে পরিণত করে। এখন পলাশপুর থেকে শুরু করে বরিশালের একাধিক স্পোর্ট গুলোতে সুমন এর দেওয়া ইয়াবা বিক্রি করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। তবে বরিশাল গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে প্রশাসনের একাধিক টিমের হাতে সুমন মাদকসহ আটক হলেও জেল থেকে জামিনে বের হয়ে ফের একই ব্যবসা পরিচালনা করত। করোনাভাইরাস ঠেকাতে প্রশাসন যখন নিজের জীবন বাজি রেখে মানুষের জীবন রক্ষার্থে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। সুমন তখন ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে একাধিক স্পটগুলোতে। এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা জানান, সুমন মাদকের বড় চালান বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেবার জন্য বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ক্রয় করে। আর মোটরসাইকেল যোগে বিভিন্ন স্থানে মাদক পৌঁছে দেয়। বরিশালের কোন ওয়ার্ডে কত পিস ইয়াবা যাবে তা পরিচালনা করে তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ন্ত্রণ করে পলাশপুর, আমানতগঞ্জ, কাউনিয়া, রসুলপুর, মোহাম্মদপুর, কেডিসি, কলোনি, হাটখোলা ও সোনালী আইসক্রিম মোড় এলাকা। নগরীর সুশীল সমাজ মনে করে মাদকব্যবসায়ীদের কে আটক না করা হলে নগরীকে মাদকের রাজ্যে পরিণত করবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের এক কর্মকর্তার সাথে কথা বললে সে জানান, অপরাধী যত বড় হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে।Ô