লেবুখালী ফেরিঘাটে পুলিশের সামনে গায়ে হলুদের গাড়িতে হামলা, ভাংচুর, ছিনতাই ও আহত -৫

ফেব্রুয়ারি ১২ ২০২১, ১৬:১৬

Spread the love

লেবুখালী ফেরিঘাটে পুলিশের উপস্থিতে হলুদের গাড়িতে হামলা, ভাংচুর, ছিনতাই ও আহত -৫
এইচ এম লিজন ॥ পটুয়াখালী জেলার দুমকি থানাধীন লেবুখালী ফেরিঘাটে বুধবার রাত আনুমানিক ১২ টার সময় গায়ে হলুদের গাড়িবহরে ফেরার পথে ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিতে ২০/২৫ জন সন্ত্রাসীদের অতর্কিতভাবে গাড়ী হামলা, গাড়ী ভাংচুর, গাড়ীতে থাকা যাত্রীদের মোবাইল, আংটি, চেইন ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। গায়ে হলুদের স্বজনরা হামলায় গুরুতর আহত হয়। তারা প্রত্যেকই শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আহতরা হলেন- জাকির মৃধা, আবুল বাশার, আবু হাসান শেখ, মোঃ লিটন, মোঃ আজাদ। আহতারা জানান, আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের ওপর হামলা হয় এবং বলে, যার যার মোবাইল আছে তা সবাই দিয়ে দেন। কেউ কেউ দিতে অস্বীকার করলে তাদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে আমরা গুরুতর আহত হই। আমরা চিৎকার করলে পুুলিশকে ডাকলে পুলিশ আমাদের ওল্টো ধমকায় এবং তাদের সরিয়ে দেয় এবং কাউকে গ্রেফতার করে না। গোপন সূত্রে ওই এলাকার কিছু দোকানদার জানান, প্রায় সময়ই এই রকমের ঘটনা ঘটে থাকে। পুলিশের থাকে না কোন ভূমিকা। আমরা মামলা করার জন্য প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে যাদের নাম জানতে পারি তারা হলেন -সন্ত্রাসী মিলন গাজী, ট্রলার চালক রুবেল, মামুনসহ আরো ২০/২৫ জন। গুরুতর আহত আজাদ জানান, আমরা বরিশাল সদর উপজেলা চরকাউয়া এলাকার নিবাসী। এবিষয়ে আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এব্যাপারে দুমকি থানার অফিসার্স ইনচার্জ মেহেদী হাসান আলোকিত বরিশালকে জানান, ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। ওখানে বিয়ের লোকজন আতশবাজি ফুটালে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। ওখানে ডিউটিরত অবস্থায় ছিলেন এ এস আই মাসুদ ও একজন কনেস্টবল। দুমকি থানার অফিসার্স ইনচার্জ আরো জানান, এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসে নি। আসলে প্রয়োজনীয় বব্যস্থা গ্রহন করা হবে। আহতরা আরো জানান মেডিকেল এর ছাড়পত্র তুলতে দেরি হওয়ায় আজ মামলা করা হবে এবং এই ধরনের ঘটনা যেন পুনরা আর ঘটে এজন্য প্রশাসনের উচ্চপদস্ত কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।