তরুণীর ম্যাসেঞ্জারে অশ্লীল ছবি পাঠিয়ে ফেঁসে যাচ্ছে ঝালকাঠি ছাত্রলীগ নেতা

জানুয়ারি ২২ ২০২১, ১১:১৩

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোলেমান রানার বিরুদ্ধে বরিশাল নগরীর এক তরুণীর ফেইসবুক মেসেঞ্জারে আপত্তিকর ছবি দেওয়ার অভিযোগে উঠেছে । গত ১১ই জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে বরিশাল কোতোয়ালী থানার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী তরুণী।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোলেমান রানার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মেহেদী সোলেমান রানাকে ঝালকাঠি থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নিয়ে আসে এবং তরুণীর পরিবার কে খবর দেয়। প্রায় ঘন্টা খানেক কথাকাটাকাটির অভিযুক্ত সোলেমান রানা নিজের অপরাধ স্বীকার করেন এবং ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য ঐ তরুণীর পা ধরে ক্ষমা চায়।

তরুণী জানান, তার স্বামীর সাথে বন্ধুত্ব ছিলো ছাত্রলীগ নেতা রানার সাথে । সেই সুবাধে তার সাথে কথা বলতো। তার স্বামীর মটরসাইকেল ঝালকাঠি বসে নষ্ট হয়ে যায়। তখন সোলেমান রানার সাথে তিনি বাইকে করে বরিশাল আসে। সেই সময় একটি সেলফি ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে কথা বলার সুবাধে তাকে ব্লাকমেল করে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসতো ছাত্রলীগ নেতা রানা। পরে জল পরী নামে একটি ফেইক আইডি খুলে তরুণীর আত্বিয় স্বজনসসহ বিভিন্ন লোকের ফোনে ছাত্রলীগ নেতা রানা খারাপ ছবি পাঠিয়ে ব্লাকমেল করার চেষ্টা করে। তবে ফেইক আইডির বিষয়টি পরে থানায় বসে স্বিকারও করেন সোলেমান রানা। পরবর্তীতে ওই তরুণী কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দিলে সোলেমান রানা থানায় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তরুণীর পা ধরে ক্ষমা চায় ও বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন।

একটি সূত্র জানান, সাংবাদিকরা থানা থেকে চলে আসার ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগদাবীদার সুজন ও সুমন নামে পরিচয়দানকারী থানায় এসে তরুণী যেন মামলা না করে সেই জন্য তরুণীর পরিবার কে মোটা অংকের টাকা প্রদান করেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রটি জানায়।

উল্লেখ্য, কয়েক মাস পূর্বে ভুক্তভোগী তরুণী সাথে সলেমান রানার সাথে ফেইসবুকে পরিচয় হয়। মাঝে মাঝে মেসেঞ্জারে কথা হয়। একপর্যায়ে সলেমান রানা তাকে বিভিন্ন ধরনের কু প্রস্তাব দেয় এবং আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে ব্লাকমেইল করেন। সোলেমান রানা নিজেকে আমির হোসেন আমুর অনুসারী ও জেলা ছাত্রলীগে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে পরিচয় দেন।

এবিষয় ঝালকাঠী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি,,,সফিকুল ইসলাম সফিক বলেন সে কোন সাংগঠনিক পদেও নাই অনেকেই ভুয়া পরিচয় দিয়ে চলে কাগজ যাচাই করলে দেখবেন। জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক পরিচয় দিলেই কি সে সাংগঠনিক হবে। এরা দলের নাম ব্যাবহার করে অপকর্ম করে দলের বদনাম করছে।