বরিশালে কোটি টাকার সম্পত্তিতে অর্ধশত কোটি টাকা মূল্যের বাড়ি উপসহকারী প্রকৌশলীর

নভেম্বর ১১ ২০২০, ১৩:৫২

Spread the love

 

বরিশাল নগরীর চাঁদমারি এলাকায় কোটি টাকা মূল্যর জমির উপর গড়ে তোলা হয়েছে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে বিলাস বহুল বাসা-বাড়ি যার একাংশে চলছে রয়েল প্যালেস নামে অবাসিক হোটেলের ব্যবসা। নগরীর নতুল্লাবাদ সহ বিভিন্ন এলাকায় নিজের ও স্ত্রীর নামে রয়েছে একাধিক জমির প্লট। রাজধানী শহরেও রয়েছে নামে বেনামে একাধিক এপ্যারমেন্ট। আর এই অডেল সম্পত্তির মালিক সামান্য একজন উপ-সহকারী প্রকৌশল।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আসাদুল হকের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। বর্তমানে দায়িত্বে রয়েছেন ভান্ডারিয়া উপজেলায়। প্রভাব খাটিয়ে প্রত্যক্ষভাবে ঠিকাদার বনে গেছেন তিনি। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সূত্র জানিয়েছে, ২০১০ সালে গোপালগঞ্জ থেকে কাঠালিয়ায় বদলি হয়ে আসেন আসাদুল হক। এসেই জড়িয়ে পড়েন ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে। প্রথম দিকে বিভিন্ন ঠিকাদারের সঙ্গে পার্টনারশিপে কাজ করতেন। পরে বরিশালের আমির ইঞ্জিনিয়ারিং লাইসেন্স ভাড়া করে কাজ শুরুকরে। এসব কাজের তদারকিও করছেন তিনি নিজেই।

শুধু তাই না, কয়েকজন ঠিকাদারের সঙ্গে বরিশালের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বর্তমানে পার্টনারশিপে কয়েকটি কাজ চলমান তার। সাধারণ ঠিকাদারদের অভিযোগ, কাঠালিয়া উপজেলায় কোনো ঠিকাদার কাজ বিক্রি করতে চাইলে সেটি আসাদুল হককে দেয়া এক প্রকার অলিখিত বিধান। বর্তমানে কাঠালিয়া উপজেলার ৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজ চলছে তার ভাড়া করা আমির ইঞ্জিনিয়ারিং লাইসেন্স এর তত্বাবাধনে। স্কুলগুলো হলো পূর্ব কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,কানাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,পশ্চিম ছোনাউটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,আমুয়া নতুন বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,বলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,উত্তর জাঙ্গালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ছোট কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,উত্তর মরিচবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বরিশাল নগরীর চাঁদমারী এলাকায় সুসজ্জিত এ সিসিটিভি যুক্ত বহুতল ভবনের এক পাশে রয়েল প্যালেস নামে আবাসিক হোটেলের ব্যবসা রয়েছে।

এ বিষয়ে আসাদুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অনেক বছর আগে আমি ও আমার এক সহকর্মী মনির সে বর্তমানে পিরোজপুর উপ জেলা এলজিডির সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে আছেন দুজনে মিলে ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ভবন করি।