ঝালকাঠির আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার হালিম আটক

আগস্ট ০৬ ২০২০, ০৮:২৬

Spread the love

ঢাকা ও দক্ষিণাঞ্চলের আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী ডাকাত সর্দার, পেশাদার ভাড়াটিয়া খুনি, মাদক সাম্রাজ্যের অধিপতি, দক্ষিণাঞ্চলের যানবাহন গরু-ছাগল-চোর বাহিনীর কুখ্যাত লীডার, হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্ট-জজ কোর্টের ভুয়া আইনজীবী সহকারী এবং RAB ও পুলিশ বাহিনীর উর্দ্বতন মহলের বিশ্বস্ত সোর্স পরিচয়দানকারী ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলাধীন ২ শুক্তাগড় ইউনিয়নের জগাইরহাট গ্রামের আছন আলী হাওলাদার-এর পুত্র “আবদুল হালিম হাওলাদার” কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজাপুর থানার পুলিশ প্রশাসন গত রাত ১টার দিকে ঝালকাঠি থানার শেখেরহাট ইউনিয়নের গুয়াটন গ্রামের সাধন হাওলাদারের বাড়ির একটি বিল্ডিং এর ভিতরে ঘুমন্ত অবস্থায় গ্রেফতার করে ।সে আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার ,পেশাদার ভাড়াটিয়া খুনি, অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী,দক্ষিণাঞ্চলের যানবাহন ও গরু ছাগল চোর বাহিনীর কুখ্যাত লীডার “আবদুর রব হাওলাদার” বাহিনীর “সেকেন্ড-ইন-কমান্ড” বা “টু-আই-সি”।এই বাহিনীর সহযোগীর সংখ্যা ৫০-এর অধিক এবং ঢাকা ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় এই বাহিনীর ঘাঁটি ও আস্তানা ।আবদুল হালিম হাওলাদারের দুই ছেলে মিলন ও সজল এই কুখ্যাত বাহিনীর সহযোগী এবং তারা পিতার সকল অবৈধ কর্মকাণ্ডের চালিকাশক্তি ।তাদেরকে এই বাহিনীর অন্তর্ভূক্ত ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী ডাকাত সর্দার ও গরু ছাগল চোর বাহিনীর কুখ্যাত লীডার “আবদুর রব হাওলাদার” ।এই বাহিনীর হাতে হত্যা ও নিহতের সংখ্যা প্রায় ৫০জন ।কোন প্রশাসনই প্রায় ৪৫বছর যাবত এই বাহিনীকে দমাতে পারেনি;শুধু ১৯৭৯ সালে রাজাপুর থানার লোকমান ওসি এই বাহিনীর বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছিলেন এবং অনেককে দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন ।এই বাহিনীকে শুক্তাগড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসী খুনি শাহ আলম ও সবুজ হাওলাদার(RAB বাহিনীর সঙ্গে ২০১৪ সালে বন্দুক যুদ্ধে নিহত) অস্ত্র ভান্ডার দিয়ে সম্প্রসারিত করাসহ বাহিনীকে সংগঠিত করে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে বাহিনীর ঘাঁটি ও আস্তানা গড়ে তোলে।তখন এই বাহিনীর সহযোগীর সংখ্যা ছিল ২শতাধিক ।বাংলাদেশের মধ্যে এটিই ছিল সর্বকালের সর্ববৃহৎ বাহিনী ।তারা যে কোন থানা আক্রমণ করার ক্ষমতা রাখতো ।খুনি শাহ আলম ও সবুজ হাওলাদার নিহত হওয়ায় অনেক অঞ্চলেই গোপনে ঘরে ঘরে মিষ্টি বিতরণ হয়েছে ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।ডাকাত সর্দার আবদুল হালিম হাওলাদার গ্রেফতার হওয়ার সংবাদে বিভিন্ন এলাকায় ঘরে ঘরে খুশির খবর পাওয়া গেছে ও বর্তমান রাজাপুর থানার পুলিশ প্রশাসনের নবাগত ওসি জনাব শহিদুল ইসলামকে সাহেবকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর দাবি এই অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য ।