বাউফলে যুবলীগ নেতাসহ দুই খুনের ঘটনায় ওসিকে দোষারোপ করলেন নিহতদের স্বজনরা

আগস্ট ০৩ ২০২০, ১১:৩৮

Spread the love

 

বিশেষ সংবাদদাতা, বাউফল ।। বাউফলে যুবলীগ নেতাসহ দুই খুনের ঘটনায় ওসিকে দোষারোপ করেছেন নিহতের স্বজনরা। কেশবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি নিহত রুমন তালুকদারের বড় ভাই একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেশবপুর কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ উদ্দিন পিকু অভিযোগ করেন, গত ৩১ জুলাই দুপুরে সংঘটিত ঘটনার পর তিনি পৃথক দুইটি এজাহার নিয়ে ওই দিন সন্ধ্যা বাউফল থানায় যান। ওই এজাহারে ১৬ জনকে আসামী করা হয়েছিল। কিন্তু ওসি (তদন্ত) আল মামুন ওই দিন মামলা রজু করেননি। মামলা রজু করতে তাকে ১০ হাজার টাকা উৎকোচও দেয়া হয়। তিনি ওই সময় মামলা দুইটি রজু করলে হয়তোবা তার ছোট ভাই যুবলীগ সহসভাপতি রুমন(৩০) ও চাচাতো ভাই ইসাত (২৪) খুন হতো না। তিনি মামলা রজু না করে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। আর এই সুযোগে রবিবার সন্ধ্যার দিকে কেশবপুর বাজারে বসে ওই মামলার আসামীরা তার দুই ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে।
এ দিকে ঈদুল ফিতরের আগের দিন (২৪ মে) বাউফল জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর সামনে ওসি, ওসি (তদন্ত) ও বিপুল সংখ্যক পুলিশের চোখের সামনে যুবলীগ কর্মী তাপসকে ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়। অথচ ওই সময় তারা নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করেছেন। এ ঘটনায় তারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার পরিচয় দিলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরং তারা এখনও বহাল তবিয়াতে আছেন।
এ ব্যাপারে ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন,‘ শুক্রবারের ঘটনায় থানায় মামলা নেয়া হয়েছে। ১০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি সত্য নয়।’
এদিকে এই জোড়া খুনের ঘটনার প্রতিবাদে কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠন সোমবার বিকেল ৩টায় কলেজ মাঠে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। একই দিন নিহত যুবল লীগ সহসভাপতি রুমন তালুকদার ও তার চাচাতো ভাই ইসাত তালুকদারে পোস্ট মর্টেম সম্পন্ন হয়েছে। বিকালে কেশবপুর কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাদের লাশ দাফনের কথা রয়েছে। জানাজায় বাউফলের এমপি ও সাবেক চীফ হুইপ আসম ফিরোজ উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।