বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জে এই আলিশান বাড়ির মালিক একজন সরকারি কর্মচারির

আগস্ট ২৮ ২০১৯, ১০:২১

Spread the love

বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জ আল মদিনা সড়কে ‘আলাদিনের চেরাগ’ পাওয়া এক ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে! যিনি চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী হলেও তার আলিশান বাড়ি দেখে মানুষের ‘মাথা খারাপ’ অবস্থা। ঢাকা, বরিশাল মিলিয়ে নিজ এবং স্ত্রী-সন্তানের নামে অঢেল সম্পত্তি রয়েছে তার। বরিশাল বিদ্যুৎ বিভাগে থাকাকালিন সপ্তাহের অধিকাংশ সময় তিনি ব্যস্ত থাকেতেন নিজের অবৈধ ইটভাটায়, এক দুঃসম্পর্কের আত্মীয় দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন ডিলারশিপের ব্যবসা। রয়েছে কাউনিয়া শিল্পনগরীতে জমি, রয়েছে মাছের ঘেরসহ বেশ কিছু জানা অজানা সম্পদ।
ছোট চাকরিতে কোটিপতি বনে যাওয়া ওই ব্যক্তির নাম আব্দুল হাই। তিনি বরিশাল বিদ্যুৎ বিভাগে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে চাকুরীতে প্রবেশ করেন বলে তথ্য রয়েছে ।

বর্তমানে নিজের পদবী বলেছেন সুইজবোর্ড এটেন্ডেন্ট (এসবিএ)ও এখন ময়মনসিংয়ে বিদ্যুৎ বিভাগে কর্মরত। বিত্তশালী ওই কর্মচারীর চাকুরীবিধি লঙ্ঘন করে একাধিক ব্যবসা পরিচালনা এবং দুর্নীতি-লুটপাটের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য আমাদের হাতে এসেছে। ক্রমান্বয়ে সেই পিলে চমকানো খবরগুলো প্রকাশ করা হবে।
আমানতগন্জ এলাকাবাসী পাওয়া গেছে আতকে ওঠার মত সব কাহিনী। একজন নিরাপত্তা প্রহরী চাকরীর ২৮ বছরে কিভাবে বরিশাল শহরে কাউনিয়া এলাকার মধ্যে অতি ব্যয়বহুল এবং আধুনিকতায় পরিপূর্ণ একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করলেন সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজে পাচ্ছে না কেউ। সরেজমিনে আমানতগঞ্জ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে আব্দুল হাইয়ের বাড়ির মত দ্বিতীয়টি আর নেই। তার পাঁচতলা বাড়ির সম্মুখভাগ কালো

কাচে চকচক করছে। বাড়ির চারিপাশ সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এত বড় ভবনে নেই হোল্ডিং নম্বর। অর্থাৎ ধনাঢ্যতার সবকিছুতে ভরপুর থাকলেও সিটি করপোরেশনকে কর ফাঁকি দিচ্ছেন তিনি। ওই এলাকায় বিদুৎ বিভাগের নিরাপত্তা প্রহরী আব্দুল হাইকে সকলে ধনী ব্যক্তি হিসেবেই এক নামে চেনে। ওই বাড়িটি ছাড়াও ঢাকা এবং বরিশালে আব্দুল হাইয়ের যেসব সম্পত্তি রয়েছে সে বিষয়ে আগামিতে স্ববিস্তর সংবাদ প্রকাশ হবে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল হাই বলেন, তার বাড়ি ব্যাংক থেকে দেড় কোটি টাকা ঋণ নিয়ে করেছেন। তবে ঋণের পরিমাণ এবং বাড়ির মূল্য যোগ-বিয়োগ করলেও তা তার চাকরির বেতনের সাথে আকাশ-পাতাল অসামঞ্জস্য। আর অবৈধ ইটভাটাটি তার স্ত্রীর বলে দাবি করেন তিনি। কিন্তু স্ত্রীর পেশা কি এবং ইটভাটা করার অর্থের উৎস কি জানতে চাইলে আব্দুল হাই চুপ করে থাকেন। “